সাঁঝের তারা ভাবিয়া পথিক শুধায় ভোরের তারায় কাল যে ছিল মধ্য গগনে আজি সে কোথায় হারায় ?
Subscribe For Free Updates!

We'll not spam mate! We promise.

Saturday

বনলতার কাহিনী ---গোপাল চন্দ্র দাস


আজ এক কাহিনী শোনাবো আপনাদের, এটা যখন কার ঘটনা, 
তখন মোবাইল ফোনের চল ছিলনা, যোগাযোগ প্রেম পিরিতি,
 
সব পত্রের মাধ্যমে, আদান প্রদান হোত, এই কাহিনীর নায়িকা,
 
সুদর্শনা, ছিপছিপে গড়ণ, এক পলকে দেখায়, সকলেরই ভালো লাগা -
বোধ জাগে, মেয়েটির নাম বনলতা, বিয়ের আগে একটু আধটু
 
প্রেম যে ছিলনা, একথা বলা যাবেনা, তাছাড়া বিয়ের আগে প্রেম
 
করে নিলে, নতুন স্বামীর সঙ্গে বোঝাপড়া বেশ জমে ওঠে,
 
নতুন করে সব কিছু শেখার দরকার পরেনা ।
বনলতার বাবা ছা পোষা মানুষ, মেয়ের বিয়ের বয়স হয়েছে, 
ওঁর জন্য একটা সুপাত্র, ঠিক করেছে, ছেলে রেলে চাকরি করে,
 
বেশী ভাগ সময় বাইরেই কাটাতে হয়, আদর্শ, চরিত্রবান ছেলে,
 
নাম নির্মল।
বনলতার ছেলে যে, খুব একটা পছন্দ বলা যাবেনা, পাত্রের -
আর্থিক স্বাচ্ছলতা, থাকলেও দেখার কিছু টা ঘাটতি আছে,
 
মানে দেখার সৌন্দর্য একটু কম, মা বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে,
 
বা অন্য অনেক কিছু ভেবে ওঁমত দিয়ে দেয়।
নির্দিষ্ট সময়ে ওঁদের বিয়ে হয়ে যায়, ছেলে কলকাতায় একটা -
বাসা ঠিক করে, বউকে রেখে ওঁর কর্ম স্থানে ফিরে যায়।
দু সপ্তাহে একবার করে আসে, বনলতার পার্থিব অপার্থিব,
 
সকল চাহিদা পূরণ করে, ফিরে যায়।
এ ছাড়া পত্রালাপ ওঁদের চলতে থাকে, প্রকৃতির নিয়মে বনলতা, 
মা হয়, ধীরে ধীরে, ও তিনটি সুপুত্রের জন্ম দেয়, ছেলেরা,
 
আস্তে আস্তে বেড়ে ওঠে, পড়াশোনা এবং অন্যান্য যা কিছুর -
প্রয়োজন হয়, সন্তান বিকাশের জন্য, বনলতা সবসময়ই -
খেয়াল রাখে।
নির্মল যথারীতি দু সপ্তাহ বাদে বাদে আসে,ওঁদের তিনটি -
সন্তানের মধ্যে, প্রথম দুটি সন্তান, খুবই সুদর্শন এবং চৌকশ,
 
কিন্তু, কনিষ্ঠ পুত্র অতটা সুন্দর হয়নি, দেখতে কূতসীতই -
বলা যায়, নির্মলের মনের মধ্যে একটু খচ্ খচ্ করে,
 
নিজের মনেই ভাবে, এই সন্তান হয়ত আমার না,
 
মনের মধ্যে খচ্ খচানি থেকেই যায়।
সময়ের নিয়ম মেনে, নির্মলের চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার -
সময়, হয়ে যায়,ওঁ বাড়িতে এসে বসবাস করতে থাকে,
 
ইতিমধ্যে ছেলেরাও বড় হয়ে যায়, নানান রকম রোগ ব্যাধিতে,
 
ভুগতে ভুগতে, নির্মল মৃত্যু শয্যায়, অন্তিম সময় উপস্থিত,
 
নির্মল বনলতার হাত ধরে বলে, একটা কথা তোমাকে কোনদিন -
জিজ্ঞেস করতে পারিনি, ছোট ছেলেটি কী আমার!!
বনলতা নির্মলের হাত ধরে বলে, আজ তোমাকে সত্যি কথাটা বলি, 
আমি ও কথাটা বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখতে পারছি না, আমার,
 
কষ্ট হচ্ছে, আসলে, ছোট ছেলেটাই তোমার নিজের !
 
প্রথম দুটো না!
--------------------------------------------------------------------------------------


জলই জীবন----- নীতা কবি মুখার্জী




জলই যদি জীবন রে ভাই
জলকে বাঁচিয়ে রাখ
দু ফোঁটা জল জমিয়ে রেখে
সুস্থ হয়ে থাক।
বিশ্ব ভুবন মাঝে শুধু জল 
আছে এই ধরনীতে
সেই জল যে প্রাণের আধার
সেই জলই প্রাণ মিতে।
শুষ্ক পৃথ্বী সুন্দর হলো জীবন
এলো যে এই ধরায়
গাছগাছালিতে ভরে গেলো আর
মানুষ সৃষ্টি হলো যে তাই।
মানুষের কাছে প্রার্থনা আজ
হে জ্ঞানী তুমি জ্ঞান জাগাও
ভাবী মানুষকে বাঁচাতে চাইলে
জীবনরূপী জল বাঁচাও।

Friday

প্রগতি-- রতন চক্রবর্ত্তী


আমার পাঁজর জুড়ে, মুঠোরোদ খেলা করে,
রাতভর জোনাকিরও আলো |
দশমাথা কার্বনে, শব্দের নিকোটিনে ,
পরিণাম এসে ধমকালো |
ক্ষেতভরা সবুজ আর সশব্দ শিল্প,
প্রগতির গল্পতে থাক ;
মঞ্চ কাঁপানো যত মাথাভারী প্রাণীকূল,
কথা দিয়ে কথাকে শানাক |
শতেক নন্দীগ্রাম, সিঙুরের সংগ্রাম,
যত হুল তত মধু জানতো ;
পাদদেশে কশাঘাত, পর্বতে মাঝরাত,
ফুলঝুরি বাক্যে বসন্ত |
ভাষণের মূলধনে, সুলুকের সন্ধানে,
শহর আর গ্রাম উপচালে ;
মেষপালকের মতে, ভেসে যায় চোরা স্রোতে,
ঘাস খুঁজে পাহাড়ের ঢালে |
বেচে দিয়ে সংযম, খুঁজে বৃথা উপশম ,
ইনকিলাবেই ভ'রে ঝুলি ;
স্লোগানের বন্ধনে, দলেরও প্রোটেকশনে ,
বদলানো রঙেরই মাদুলি |
প্রগতির ঢেউ তুলে, মাছ ধ'রে ঘোলাজলে,
সময়পাত্র ক'রে ফুটো ;
রাম আজ ডুবে মরে, দশানন পারাবারে,
তবু খোঁজে মুঠো খড়কুঁটো |

Sunday

" সাধারণ মেয়ে " -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


আমি অন্তঃপুরের মেয়ে,
চিনবে না আমাকে।
তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি,
শরৎবাবু,
বাসি ফুলের মালা
তোমার নায়িকা এলোকেশীর মরণ-
দশা ধরেছিল
পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে।
পঁচিশ বছর বয়সের সঙ্গে ছিল তার রেষারেষি,
দেখলেম তুমি মহদাশয় বটে
জিতিয়ে দিলে তাকে।
নিজের কথা বলি।
বয়স আমার অল্প।
একজনের মন ছুঁয়েছিল
আমার এই কাঁচা বয়সের মায়া।
তাই জেনে পুলক লাগত আমার দেহে
ভুলে গিয়েছিলেম, অত্যন্ত সাধারণ
মেয়ে আমি।
আমার মতো এমন আছে হাজার হাজার মেয়ে,
অল্পবয়সের মন্ত্র তাদের যৌবনে।
তোমাকে দোহাই দিই,
একটি সাধারণ মেয়ের গল্প লেখো তুমি।
বড়ো দুঃখ তার।
তারও স্বভাবের গভীরে
অসাধারণ যদি কিছু
তলিয়ে থাকে কোথাও
কেমন করে প্রমাণ করবে সে,
এমন কজন মেলে যারা তা ধরতে পারে।
কাঁচা বয়সের জাদু লাগে ওদের চোখে,
মন যায় না সত্যের খোঁজে,
আমরা বিকিয়ে যাই মরীচিকার দামে।
কথাটা কেন উঠল তা বলি।
মনে করো তার নাম নরেশ।
সে বলেছিল কেউ তার
চোখে পড়ে নি আমার মতো।
এতবড়ো কথাটা বিশ্বাস করব যে সাহস হয় না,
না করব যে এমন জোর কই।
একদিন সে গেল বিলেতে।
চিঠিপত্র পাই কখনো বা।
মনে মনে ভাবি, রাম রাম!
এত মেয়েও আছে সে দেশে,
এত তাদের ঠেলাঠেলি ভিড়!
আর তারা কি সবাই অসামান্য
এত বুদ্ধি, এত উজ্জ্বলতা।
আর তারা সবাই কি আবিষ্কার
করেছে এক নরেশ সেনকে
স্বদেশে যার পরিচয় চাপা ছিল দশের মধ্যে।
গেল মেলের চিঠিতে লিখেছে
লিজির সঙ্গে গিয়েছিল
সমুদ্রে নাইতে
বাঙালি কবির কবিতা কলাইন
দিয়েছে তুলে
সেই যেখানে উর্বশী উঠছে সমুদ্র
থেকে
তার পরে বালির পরে বসল
পাশাপাশি
সামনে দুলছে নীল সমুদ্রের ঢেউ,
আকাশে ছড়ানো নির্মল সূর্যালোক।
লিজি তাকে খুব আস্তে আস্তে বললে,
এই সেদিন তুমি এসেছ, দুদিন
পরে যাবে চলে;
ঝিনুকের দুটি খোলা,
মাঝখানটুকু ভরা থাক্
একটি নিরেট অশ্রুবিন্দু দিয়ে
দুর্লভ, মূল্যহীন।
কথা বলবার কী অসামান্য ভঙ্গি।
সেইসঙ্গে নরেশ লিখেছে,
কথাগুলি যদি বানানো হয় দোষ কী,
কিন্তু চমৎকার
হীরে-বসানো সোনার ফুল কি সত্য, তবুও
কি সত্য নয়।
বুঝতেই পারছ একটা তুলনার সংকেত ওর চিঠিতে অদৃশ্য
কাঁটার মতো আমার বুকের
কাছে বিঁধিয়ে দিয়ে জানায়
আমি অত্যন্ত সাধারণ মেয়ে।
মূল্যবানকে পুরো মূল্য চুকিয়ে দিই
এমন ধন নেই আমার হাতে।
ওগো, নাহয় তাই হল,
নাহয় ঋণীই রইলেম চিরজীবন।
পায়ে পড়ি তোমার, একটা গল্প
লেখো তুমি শরৎবাবু,
নিতান্তই সাধারণ মেয়ের গল্প
যে দুর্ভাগিনীকে দূরের
থেকে পাল্লা দিতে হয়
অন্তত পাঁচ-সাতজন অসামান্যার সঙ্গে
অর্থাৎ, সপ্তরথিনীর মার।
বুঝে নিয়েছি আমার কপাল ভেঙেছে,
হার হয়েছে আমার।
কিন্তু তুমি যার কথা লিখবে
তাকে জিতিয়ে দিয়ো আমার হয়ে,
পড়তে পড়তে বুক যেন ওঠে ফুলে।
ফুলচন্দন পড়ুক তোমার কলমের মুখে।
তাকে নাম দিয়ো মালতী।
ওই নামটা আমার।
ধরা পড়বার ভয় নেই।
এমন অনেক মালতী আছে বাংলাদেশে,
তারা সবাই সামান্য মেয়ে।
তারা ফরাসি জর্মান জানে না,
কাঁদতে জানে।
কী করে জিতিয়ে দেবে।
উচ্চ তোমার মন, তোমার
লেখনী মহীয়সী।
তুমি হয়তো ওকে নিয়ে যাবে ত্যাগের পথে,
দুঃখের চরমে, শকুন্তলার মতো।
দয়া কোরো আমাকে।
নেমে এসো আমার সমতলে।
বিছানায় শুয়ে শুয়ে রাত্রির অন্ধকারে
দেবতার কাছে যে অসম্ভব বর মাগি
সে বর আমি পাব না,
কিন্তু পায় যেন তোমার নায়িকা।
রাখো-না কেন নরেশকে সাত বছর লণ্ডনে,
বারে বারে ফেল করুক তার পরীক্ষায়,
আদরে থাক্ আপন উপাসিকামণ্ডলীতে।
ইতিমধ্যে মালতী পাস করুক এম.এ.।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে,
গণিতে হোক প্রথম তোমার কলমের এক আঁচড়ে।
কিন্তু ওইখানেই যদি থাম
তোমার সাহিত্যসম্রাট
নামে পড়বে কলঙ্ক।
আমার দশা যাই হোক
খাটো কোরো না তোমার কল্পনা।
তুমি তো কৃপণ নও বিধাতার মতো।
মেয়েটাকে দাও পাঠিয়ে য়ুরোপে।
সেখানে যারা জ্ঞানী, যারা বিদ্বান,
যারা বীর,
যারা কবি, যারা শিল্পী, যারা রাজা,
দল বেঁধে আসুক ওর চার দিকে।
জ্যোতির্বিদের মতো আবিষ্কার করুক ওকে
শুধু বিদুষী বলে নয়, নারী বলে।
ওর মধ্যে যে বিশ্বজয়ী জাদু আছে
ধরা পড়ুক তার রহস্য, মূঢ়ের দেশে নয়
যে দেশে আছে সমজদার, আছে দরদি,
আছে ইংরেজ জর্মান ফরাসি।
মালতীর সম্মানের জন্য
সভা ডাকা হোক-না,
বড়ো বড়ো নামজাদার সভা।
মনে করা যাক সেখানে বর্ষণ
হচ্ছে মুষলধারে চাটুবাক্য,
মাঝখান দিয়ে সে চলেছে অবহেলায়
ঢেউয়ের উপর দিয়ে যেন পালের নৌকো।
ওর চোখ দেখে ওরা করছে কানাকানি,
সবাই বলছে ভারতবর্ষের সজল মেঘ আর উজ্জ্বল রৌদ্র
মিলেছে ওর মোহিনী দৃষ্টিতে।
(এইখানে জনান্তিকে বলে রাখি
সৃষ্টিকর্তার প্রসাদ সত্যই আছে আমার চোখে।
বলতে হল নিজের মুখেই,
এখনো কোনো য়ুরোপীয় রসজ্ঞের
সাক্ষাৎ ঘটে নি কপালে।)
নরেশ এসে দাঁড়াক সেই কোণে,
আর তার সেই অসামান্য মেয়ের দল।
আর তার পরে?
তার পরে আমার নটেশাকটি মুড়োল,
স্বপ্ন আমার ফুরোল।
হায় রে সামান্য মেয়ে!

হায় রে বিধাতার শক্তির অপব্যয়!

Wednesday

বীরপুরুষ (bIrpuruSh)

বীরপুরুষ
(bIrpuruSh)
     মনে করো যেন বিদেশ ঘুরে
     মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে ।
তুমি যাচ্ছ পালকিতে মা চড়ে
দরজা দুটো একটুকু ফাঁক করে,
আমি যাচ্ছি রাঙা ঘোড়ার ’পরে
     টগবগিয়ে তোমার পাশে পাশে ।
রাস্তা থেকে ঘোড়ার খুরে খুরে
     রাঙা ধুলোয় মেঘ উড়িয়ে আসে ।


     সন্ধে হল,সূর্য নামে পাটে
     এলেম যেন জোড়াদিঘির মাঠে ।
ধূ ধূ করে যে দিক পানে চাই
কোনোখানে জনমানব নাই,
তুমি যেন আপনমনে তাই
     ভয় পেয়েছ; ভাবছ, এলেম কোথা?
আমি বলছি, ‘ভয় পেয়ো না মা গো,
     ঐ দেখা যায় মরা নদীর সোঁতা ।’
      
bIrpuruSh
the valiant

khokA
 = darling boy; dAdA = elder brother;
lAThi
 = sturdy staff
(pronounce
 A = aa)
just imagine mother, that you and i
are travelling far (can't remember why)
     your palanquin's rocking to and fro
     with four beherAs going heiyA-ho
besides them i am trotting along
on my little red pony, singing a song.



my hoof-dust clouds the end of day
thorn-bushes bleak in the low sun's ray
     it's barren, barren, every which way
     even the animals have gone away
imagine it's dark: you can barely see
we've come to the wilds of jorAdighi
    চোরকাঁটাতে মাঠ রয়েছে ঢেকে,
    মাঝখানেতে পথ গিয়েছে বেঁকে ।
গোরু বাছুর নেইকো কোনোখানে,
সন্ধে হতেই গেছে গাঁয়ের পানে,
আমরা কোথায় যাচ্ছি কে তা জানে,
     অন্ধকারে দেখা যায় না ভালো ।
তুমি যেন বললে আমায় ডেকে,
      ‘দিঘির ধারে ঐ যে কিসের আলো!’

     এমন সময় 'হাঁরে রে রে রে রে’
     ঐ যে কারা আসতেছে ডাক ছেড়ে ।
তুমি ভয়ে পালকিতে এক কোণে
ঠাকুর দেবতা স্মরণ করছ মনে,
বেয়ারাগুলো পাশের কাঁটাবনে
     পালকি ছেড়ে কাঁপছে থরোথরো।
আমি যেন তোমায় বলছি ডেকে,
     ‘আমি আছি, ভয় কেন মা কর।’

we are cutting through the fields of bramble
it's nearly night, the beherAs scramble
     the path curves out a little ahead,
     we are going over a dead river bed
in the plodding silence, you suddenly shout
"are those lights out there, moving about?"





just then the cry: "hAre re re re re"
you can hear them charging; utter disarray
     beherAs running helter skelter
     you pray to heaven for divine shelter
but i tell you calmly, "mA don't worry!
i am here with you, now _they'll be sorry!"
      হাতে লাঠি, মাথায় ঝাকড়া চুল
     কানে তাদের গোঁজা জবার ফুল ।
আমি বলি, ‘দাঁড়া, খবরদার!
এক পা আগে আসিস যদি আর -
এই চেয়ে দেখ আমার তলোয়ার,
     টুকরো করে দেব তোদের সেরে ।’
শুনে তারা লম্ফ দিয়ে উঠে
     চেঁচিয়ে উঠল, ‘হাঁরে রে রে রে রে।’

     তুমি বললে, ‘যাস না খোকা ওরে’
     আমি বলি, ‘দেখো না চুপ করে।’
ছুটিয়ে ঘোড়া গেলেম তাদের মাঝে,
ঢাল তলোয়ার ঝন্‌ঝনিয়ে বাজে
কী ভয়ানক লড়াই হল মা যে,
     শুনে তোমার গায়ে দেবে কাঁটা।
কত লোক যে পালিয়ে গেল ভয়ে,
     কত লোকের মাথা পড়ল কাটা।

skins gleaming in the flickering light
twirling lAThis they come, a fearsome sight  
     i yell, "wait!", and "stop right there!
     beware my sword now, don't you dare!
just one more step and your blood will spray!"
but they just explode with a "hA re re re re re"  





you tell me, all trembling, "khokA, don't go!"
i say, "mA, just watch."  and with a "heigh ho",
     i spur my horse into the villainous mass    
     their shields ring out on my cutlass
such a terrible battle,  you'd swoon if i say
so many heads cut off, so many run away...
     এত লোকের সঙ্গে লড়াই করে
     ভাবছ খোকা গেলই বুঝি মরে।
আমি তখন রক্ত মেখে ঘেমে
বলছি এসে, ‘লড়াই গেছে থেমে’,
তুমি শুনে পালকি থেকে নেমে
     চুমো খেয়ে নিচ্ছ আমায় কোলে -
বলছ, ‘ভাগ্যে খোকা সঙ্গে ছিল!
     কী দুর্দশাই হত তা না হলে।’

     রোজ কত কী ঘটে যাহা তাহা -
     এমন কেন সত্যি হয় না আহা।
ঠিক যেন এক গল্প হত তবে,
শুনত যারা অবাক হত সবে,
দাদা বলত, ‘কেমন করে হবে,
     খোকার গায়ে এত কি জোড় আছে।’
পাড়ার লোকে বলত সবাই শুনে,
      ‘ভাগ্যে খোকা ছিল মায়ের কাছে।’


at the end you're weeping, "my khokA is dead!"             
just then i'm back, all sweaty blood-red.
     i call out, "mA, it's over, the fight!"
     you come out then and hug me tight
you lift me to your lap with a kiss: "khokA dear,
what _would i have done, if you hadn't been here!"




such useless things happen all the time
why can't _this be true at least one time?
     oh then it would be a real fairy tale
     everyone would rave, though dAdA would rail:
"pah! how can this be? he isn't even that strong!"
but neighbours would say, "lucky khokA went along!"