আজ এক কাহিনী শোনাবো আপনাদের, এটা যখন কার
ঘটনা,
তখন মোবাইল ফোনের চল ছিলনা, যোগাযোগ প্রেম পিরিতি,
সব পত্রের মাধ্যমে, আদান প্রদান হোত, এই কাহিনীর নায়িকা,
সুদর্শনা, ছিপছিপে গড়ণ, এক পলকে দেখায়, সকলেরই ভালো লাগা -
বোধ জাগে, মেয়েটির নাম বনলতা, বিয়ের আগে একটু আধটু
প্রেম যে ছিলনা, একথা বলা যাবেনা, তাছাড়া বিয়ের আগে প্রেম
করে নিলে, নতুন স্বামীর সঙ্গে বোঝাপড়া বেশ জমে ওঠে,
নতুন করে সব কিছু শেখার দরকার পরেনা ।
তখন মোবাইল ফোনের চল ছিলনা, যোগাযোগ প্রেম পিরিতি,
সব পত্রের মাধ্যমে, আদান প্রদান হোত, এই কাহিনীর নায়িকা,
সুদর্শনা, ছিপছিপে গড়ণ, এক পলকে দেখায়, সকলেরই ভালো লাগা -
বোধ জাগে, মেয়েটির নাম বনলতা, বিয়ের আগে একটু আধটু
প্রেম যে ছিলনা, একথা বলা যাবেনা, তাছাড়া বিয়ের আগে প্রেম
করে নিলে, নতুন স্বামীর সঙ্গে বোঝাপড়া বেশ জমে ওঠে,
নতুন করে সব কিছু শেখার দরকার পরেনা ।
বনলতার বাবা ছা পোষা মানুষ, মেয়ের
বিয়ের বয়স হয়েছে,
ওঁর জন্য একটা সুপাত্র, ঠিক করেছে, ছেলে রেলে চাকরি করে,
বেশী ভাগ সময় বাইরেই কাটাতে হয়, আদর্শ, চরিত্রবান ছেলে,
নাম নির্মল।
বনলতার ছেলে যে, খুব একটা পছন্দ বলা যাবেনা, পাত্রের -
আর্থিক স্বাচ্ছলতা, থাকলেও দেখার কিছু টা ঘাটতি আছে,
মানে দেখার সৌন্দর্য একটু কম, মা বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে,
বা অন্য অনেক কিছু ভেবে ওঁমত দিয়ে দেয়।
নির্দিষ্ট সময়ে ওঁদের বিয়ে হয়ে যায়, ছেলে কলকাতায় একটা -
বাসা ঠিক করে, বউকে রেখে ওঁর কর্ম স্থানে ফিরে যায়।
দু সপ্তাহে একবার করে আসে, বনলতার পার্থিব অপার্থিব,
সকল চাহিদা পূরণ করে, ফিরে যায়।
ওঁর জন্য একটা সুপাত্র, ঠিক করেছে, ছেলে রেলে চাকরি করে,
বেশী ভাগ সময় বাইরেই কাটাতে হয়, আদর্শ, চরিত্রবান ছেলে,
নাম নির্মল।
বনলতার ছেলে যে, খুব একটা পছন্দ বলা যাবেনা, পাত্রের -
আর্থিক স্বাচ্ছলতা, থাকলেও দেখার কিছু টা ঘাটতি আছে,
মানে দেখার সৌন্দর্য একটু কম, মা বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে,
বা অন্য অনেক কিছু ভেবে ওঁমত দিয়ে দেয়।
নির্দিষ্ট সময়ে ওঁদের বিয়ে হয়ে যায়, ছেলে কলকাতায় একটা -
বাসা ঠিক করে, বউকে রেখে ওঁর কর্ম স্থানে ফিরে যায়।
দু সপ্তাহে একবার করে আসে, বনলতার পার্থিব অপার্থিব,
সকল চাহিদা পূরণ করে, ফিরে যায়।
এ ছাড়া পত্রালাপ ওঁদের চলতে থাকে, প্রকৃতির
নিয়মে বনলতা,
মা হয়, ধীরে ধীরে, ও তিনটি সুপুত্রের জন্ম দেয়, ছেলেরা,
আস্তে আস্তে বেড়ে ওঠে, পড়াশোনা এবং অন্যান্য যা কিছুর -
প্রয়োজন হয়, সন্তান বিকাশের জন্য, বনলতা সবসময়ই -
খেয়াল রাখে।
নির্মল যথারীতি দু সপ্তাহ বাদে বাদে আসে,ওঁদের তিনটি -
সন্তানের মধ্যে, প্রথম দুটি সন্তান, খুবই সুদর্শন এবং চৌকশ,
কিন্তু, কনিষ্ঠ পুত্র অতটা সুন্দর হয়নি, দেখতে কূতসীতই -
বলা যায়, নির্মলের মনের মধ্যে একটু খচ্ খচ্ করে,
নিজের মনেই ভাবে, এই সন্তান হয়ত আমার না,
মনের মধ্যে খচ্ খচানি থেকেই যায়।
মা হয়, ধীরে ধীরে, ও তিনটি সুপুত্রের জন্ম দেয়, ছেলেরা,
আস্তে আস্তে বেড়ে ওঠে, পড়াশোনা এবং অন্যান্য যা কিছুর -
প্রয়োজন হয়, সন্তান বিকাশের জন্য, বনলতা সবসময়ই -
খেয়াল রাখে।
নির্মল যথারীতি দু সপ্তাহ বাদে বাদে আসে,ওঁদের তিনটি -
সন্তানের মধ্যে, প্রথম দুটি সন্তান, খুবই সুদর্শন এবং চৌকশ,
কিন্তু, কনিষ্ঠ পুত্র অতটা সুন্দর হয়নি, দেখতে কূতসীতই -
বলা যায়, নির্মলের মনের মধ্যে একটু খচ্ খচ্ করে,
নিজের মনেই ভাবে, এই সন্তান হয়ত আমার না,
মনের মধ্যে খচ্ খচানি থেকেই যায়।
সময়ের নিয়ম মেনে, নির্মলের চাকরি থেকে
অবসর নেওয়ার -
সময়, হয়ে যায়,ওঁ বাড়িতে এসে বসবাস করতে থাকে,
ইতিমধ্যে ছেলেরাও বড় হয়ে যায়, নানান রকম রোগ ব্যাধিতে,
ভুগতে ভুগতে, নির্মল মৃত্যু শয্যায়, অন্তিম সময় উপস্থিত,
নির্মল বনলতার হাত ধরে বলে, একটা কথা তোমাকে কোনদিন -
জিজ্ঞেস করতে পারিনি, ছোট ছেলেটি কী আমার!!
সময়, হয়ে যায়,ওঁ বাড়িতে এসে বসবাস করতে থাকে,
ইতিমধ্যে ছেলেরাও বড় হয়ে যায়, নানান রকম রোগ ব্যাধিতে,
ভুগতে ভুগতে, নির্মল মৃত্যু শয্যায়, অন্তিম সময় উপস্থিত,
নির্মল বনলতার হাত ধরে বলে, একটা কথা তোমাকে কোনদিন -
জিজ্ঞেস করতে পারিনি, ছোট ছেলেটি কী আমার!!
বনলতা নির্মলের হাত ধরে বলে, আজ
তোমাকে সত্যি কথাটা বলি,
আমি ও কথাটা বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখতে পারছি না, আমার,
কষ্ট হচ্ছে, আসলে, ছোট ছেলেটাই তোমার নিজের !
প্রথম দুটো না!
আমি ও কথাটা বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখতে পারছি না, আমার,
কষ্ট হচ্ছে, আসলে, ছোট ছেলেটাই তোমার নিজের !
প্রথম দুটো না!
--------------------------------------------------------------------------------------

